ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এর ভোটগ্রহণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সারাদেশে মোটামুটি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। দুটি জেলায় ককটেল বিস্ফোরণসহ কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সামগ্রিকভাবে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নির্বাচন চলাকালে পৃথক ঘটনায় অসুস্থ হয়ে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কিছু অভিযোগ তুলেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। তবে কোনো ভোটকেন্দ্রে যদি ভোটারদের দীর্ঘ সারি থাকে, সে ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের পরও তাঁদের ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়।
ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রগুলোতে ভোট গণনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। এখন সারাদেশে ভোটের ফলাফলের অপেক্ষা।
উল্লেখ্য, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় দেড় বছর পর একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন দেশের ভোটাররা।
একই সঙ্গে গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের কয়েকটি মৌলিক পরিবর্তনের প্রস্তাবের পক্ষে ও বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোট দেন ভোটাররা। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হলে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নের পথ উন্মুক্ত হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন