গতকাল সন্ধ্যেবেলায় টলি তারকা রাহুল অরুনোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকাহত ঘোটা পশ্চিমবঙ্গ। তাঁরই মৃত্যু প্রসঙ্গে উঠে এসেছে না না তথ্য।
রবিবার, ২৯ এ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশার সিমান্ত সমুদ্র সৈকতে "ভোলে বাবা পার করে গা ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন রাহুল। ইউনিট সুত্রে খবর শুটিংয়ের প্যাক আপ হওয়ার পর জলে নামেন তিনি। প্রতক্ষদর্শীদের মতে তাঁর পা বালিতে আটকে যায় এবং একই সময় ঢউ এসে পড়ায় ভারসাম্য হারিয়ে তলিয়ে যান তিনি। জল থেকে উদ্ধারের পরও বেঁচে ছিলেন তবে হাঁসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই ইহলোক ত্যাগ করেন তিনি। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দীঘার মহকুমা হাসপাতালে।
রাহুলের মৃতদেহ পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে তাঁর ফুসফুস ও শ্বাসনলীতে বেশি মাত্রায় বালি পাওয়া গেছে। এই বিষয়টিকেই অস্বাভাবিক বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা। আরো জানিয়েছেন অভিনেতার ফুসফুস ফুলে দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। এ ছাড়াও খাদ্যনালীতেও বালি পাওয়া গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতে এটি অল্প সময়ের ডুবে যাওয়া থেকে হয়নি। বেশ কিছুটা সময় দেহ নিম্মজিত ছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ অল্প সময় অধিক পরিমাণ বালি ফুসফুসে যাওয়া সম্ভব নয়।
শরীরে কোন রকম অ্যালকহল জাতিয় দ্রব্য ছিল কি না তা নিশ্চিত করণের জন্য ভিসেরা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
প্রশ্ন উঠছে শুটিং ইউনিটের গাফিলতি নিয়ে। তবে কি কোন ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল অভিনেতার বিরুদ্ধে? অভিনেত্রী স্বেতা কে বাঁচানো গেলেও কেন বাঁচানো গেল না রাহুলকে ? ময়না দতন্তের পর এই প্রশ্নই উঠছে বার বার।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন