এগিয়ে আসছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন। ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোট হবে বলে জানিয়ে ছিল ইলেকশন কমিশন । ভোটের আগেই মহিলা সংরক্ষণ আইন সংশোধন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালে পাশ হয় 'নারী শক্তি বন্দন অধিনয়ম আইনটি। এই আইন অনুসারে
লোকসভা এবং রাজ্য বিধানসভাগুলিতে ৩৩% আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই সংরক্ষিত আসনের মধ্যে কিছু আসন সংরক্ষিত থাকবে সিডিউল কাস্ট এবং সিডিউল ট্রাইবের জন্য। যথার্থ সীমানা পুনর্নিধার্ণের পর এই সংরক্ষিত আসনগুলিতেও বদল আসবে। এর সঙ্গে জানানো হয় এই সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ হবে শুরুর দিন থেকে পনেরো বছর।
২০২৩ সালে আইন পাশ হওয়ার সময় জানানো হয় নতুন জনশুমারি এবং সীমানা পুনর্নির্ধার্ণের পর এই আইন কার্যকর হবে। তবে ২০২৬ এর নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বিরোধী দলগুলি এবং রাজনিতীবিদরা জানতে চেয়েছেন এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার বদলে কোন বিশেষ সংশোধনী মাধ্যমে এই কাজ দ্রুত করা সম্ভব কিনা।
বঙ্গীয় প্রেক্ষাপটে পঞ্চায়েত স্তরে ৫০% আসনে নারী সংরক্ষণ কার্যকর করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী নারীদের প্রার্থী দেন। এই অবস্থায় বিজেপি কেন্দ্রীয় স্তরে কোন সংশোধনী ব্যবস্থা এনে কৃতিত্ব নিজেদের দিকে নিতে চাইছে কি না তা নিয়ে না না প্রশ্ন উঠছে। আগামী জনশুমারি ২০২৯ এ তবে আইনকে শীঘ্রই কার্যকর করার জন্য ২০১১ র জনশুমারি নিরিক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আলোচনা চলছে।
আশা করা যায় পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুর নির্বাচনের আগে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে
।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন