মুখোমুখি নওশদ ও শওকত
ভাঙ্গড় ২৯ এপ্রিল :বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী আবহে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙ্গড়ে উত্তেজনা ছড়াল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে কেন্দ্র করে। নলমুড়ি এলাকায় মুখোমুখি হয়ে পড়েন আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী এবং তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শওকত মোল্লা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকায় প্রচারে গিয়ে হঠাৎই দুই প্রার্থীর মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা ঘটে। নওশাদ সিদ্দিকীকে দেখতে পেয়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা “জয় বাংলা” স্লোগান দিতে শুরু করেন। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।
পালটা নওশাদ তাঁদের দিকে তেড়ে যান। পিছু হটেননি ঘাসফুল শিবিরের কর্মীরাও। কিন্তু এনিয়ে কিছুক্ষণ পর হাতাহাতিতে জড়ান আইএসএফ ও তৃণমূল কর্মীরা। শেষমেশ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সেখানে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি শান্ত করে। নওশাদকে ‘বদ্ধ পাগল’ বললেন ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা।
পালটা নওশাদকে বলতে শোনা যায়, ”কী হয়েছে? এত তাড়া কীসের?” বোঝাই যায়, আইএসএফ প্রার্থী মেজাজ হারিয়েছেন।
এনিয়ে ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা বলেন, ”ওঁর (নওশাদ) আচার, ব্যবহার কিছুই সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষের মতো নয়। এসব দেখে বোঝা যায়, বদ্ধ উন্মাদ। ওঁর অভিযোগ, কথাবার্তাকে আমরা গুরুত্ব দিই না।”
তিনি আরও বলেন "স্বাধীনতার পর ভাঙ্গরে প্রথম এত শান্তিপূর্ণ ভোট হল,এখানকার মানুষ অনেক সংযত আচরণ করেছে।"
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভাঙ্গড় থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশি হস্তক্ষেপে বড় ধরনের অশান্তি এড়ানো সম্ভব হয় এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।
নির্বাচনের আগে এই ধরনের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন