ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারের সময় শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার পর কোনো প্রার্থী বা দলের পক্ষ থেকে প্রচার চালানো হলে তা আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে সেখানে ভোট স্থগিত রয়েছে। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে দুই হাজারের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। জুলাই সনদে বর্ণিত সংস্কার প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে চারটি প্রশ্নে ভোটারদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে হবে।
পৌনে ১৩ কোটি ভোটার এ দুই ভোটে অংশ নিতে পারবেন। সারা দেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম বুধবার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার কথা রয়েছে।
নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনী মাঠে রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোট গ্রহণ নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন