ভোরের হালকা শিরশিরানি আর ভোরের কুয়াশা—সবই এখন অতীত হতে চলেছে। ক্যালেন্ডারের পাতায় ফাল্গুন আসতেই নিজের দাপট কমাতে শুরু করেছে শীত। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর (IMD) জানিয়ে দিল, রাজ্যে শীতের ইনিংস এবার শেষের পথে। অর্থাৎ, সময় এসে গেছে ভারী লেপ-কম্বল রোদে দিয়ে আলমারিতে তুলে রাখার।
তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী
হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার পারদ ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই স্বাভাবিকের ওপরে উঠতে শুরু করেছে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতেও রোদের তেজ বাড়ছে পাল্লা দিয়ে।
বসন্তের হাতছানি না কি গরমের দাপট?
আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারতের শুষ্ক হাওয়ার দাপট কমে আসায় জলীয় বাষ্প ঢুকতে শুরু করেছে। এর ফলে:
ভোরের দিকে সামান্য কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়লে রোদের তেজ বাড়বে।
রাতে পাখা চালানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে কিছু কিছু এলাকায়।
উত্তরবঙ্গে অবশ্য আরও কয়েক দিন হালকা শীতের আমেজ বজায় থাকবে, তবে সেখানেও তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে।
লেপ-কম্বল তুলে রাখার আগে যা করবেন
শীতের পোশাক বা লেপ-কম্বল তুলে রাখার আগে বিশেষজ্ঞরা কিছু জরুরি পরামর্শ দিচ্ছেন:
"দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর লেপ বা কম্বল সরাসরি আলমারিতে না রাখাই ভালো। কড়া রোদে অন্তত একদিন ভালো করে শুকিয়ে নিয়ে তারপর প্যাকিং করা উচিত, যাতে কোনো ফাঙ্গাস বা স্যাঁতসেঁতে গন্ধ না হয়।"
মার্চের শুরুতেই কি কালবৈশাখী?
তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বাড়তে পারে। মার্চ মাসের শুরুর দিকেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি বা কালবৈশাখীর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না হাওয়া অফিস।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন