মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবরে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ নেতার প্রাণহানি হয়েছে বলে তেহরান জানিয়েছে। তবে নেতৃত্বে শূন্যতা তৈরি হলেও সামরিকভাবে নতি স্বীকার করেনি ইরান; বরং ইজরায়েল এবং অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলির বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত উত্তরসূরি বেছে নিয়েছে তেহরান। খামেনেইয়ের পর দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় আসনে বসতে চলেছেন ৬৭ বছর বয়সী আয়াতোল্লা আলোরেজা আরাফি। আপাতত তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তী পরিষদ গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন আরাফি নিজেই। তিনি আগে অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের ডেপুটি চেয়ারম্যান এবং জাতীয় শিক্ষা প্রশাসনের দায়িত্বে ছিলেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, এই হামলার জবাব দেওয়া তাদের অধিকার ও দায়িত্ব, প্রয়োজনে সর্বশক্তি প্রয়োগ করা হবে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেটিনিয়াহু আরও কঠোর অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং ইরানের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান বজায় রাখার কথা বলেছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন