অবৈধ মদের কারবার রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল দিল্লি এক্সাইজ ডিপার্টমেন্ট। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩ মার্চ পর্যন্ত সময়ে অবৈধ মদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মোট ৮১৬টি FIR দায়ের করা হয়েছে এবং প্রায় ১.৫ লক্ষ বোতল অবৈধ মদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
![]() |
| অবৈধ মদের কারবার রুখতে কড়া পদক্ষেপ |
এই কড়াকড়ির পেছনে রয়েছে রেখা গুপ্তার কড়া নির্দেশ। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে মুখ্যমন্ত্রী অবৈধ মদের সরবরাহ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডেকে রাজধানীতে এই কারবার সম্পূর্ণ বন্ধ করার নির্দেশ দেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ধারা ৪০-এর আওতায় প্রকাশ্যে মদ্যপানের ৪৩৬টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে এবং ৫৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চলতি অর্থবর্ষে মোট ১,৫০,৩৫৩ বোতল অবৈধ মদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
অবৈধ মদের বিরুদ্ধে নজরদারির পাশাপাশি রাজস্ব আদায়েও এগোচ্ছে দফতর। ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ₹৪,৯৯২.৬৯ কোটি রাজস্ব সংগ্রহ করেছে দফতর, যা চলতি অর্থবর্ষের ₹৬,০০০ কোটি লক্ষ্যমাত্রার দিকে স্থির অগ্রগতি বলেই জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
![]() |
| প্রতীকী চিত্র |
বর্তমানে দিল্লি জুড়ে ১৭৮টি হোলসেল লাইসেন্স এবং ৮১০টি খুচরো মদের দোকান চালু রয়েছে। পাশাপাশি ক্রেতাদের সুবিধার জন্য মদের দোকানের অবস্থান জানাতে ‘e-Abkari App’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরির কাজও শুরু করেছে দফতর।
তবে ২০২৬ সালের মার্চের শুরুতেই ৮০০-র বেশি FIR দায়ের হওয়ায় বোঝাই যাচ্ছে, চলতি বছরে অবৈধ মদের বিরুদ্ধে অভিযান বেশ জোরদারই হয়েছে। বছরের এখনও প্রায় নয় মাস বাকি, ফলে অভিযান চলতে থাকলে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে প্রশ্ন থাকছে, অবৈধ মদের বিরুদ্ধে এত অভিযান ও FIR সত্ত্বেও কেন দিল্লিতে এখনও অবৈধ মদের সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না? অবৈধ মদের কারবার রুখতে শুধুমাত্র অভিযান ও গ্রেপ্তারই কি যথেষ্ট, নাকি লাইসেন্সিং ও নজরদারি ব্যবস্থায় আরও বড় সংস্কারের প্রয়োজন আছে?


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন