Top News

ফের শহরে ইডি-র হানা! সাতসকালে দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে জোর তল্লাশি

ছুটির দিনেও শান্তিতে নেই শহরের দুই বড় ব্যবসায়ী! সাতসকালে কলকাতার দুই প্রান্তে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র (ED) আধিকারিকরা। 'সোনা পাপ্পু' মামলার এবার জল  গড়ালো আনন্দপুর থেকে আলিপুর পর্যন্ত।





সকাল হতেই অ্যাকশন

রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সাথে নিয়ে দুটি আলাদা টিমে ভাগ হয়ে অভিযানে নামেন ইডি কর্তারা। প্রথম দলটি পৌঁছায় আনন্দপুরের 'আরবান টাওয়ার থ্রি'-তে ব্যবসায়ী কল্যাণ শুক্লার বাড়িতে। আর দ্বিতীয় দলটি হানা দেয় আলিপুরের নামী ব্যবসায়ী সঞ্জয় কানোরিয়ার ঠিকানায়। দুই জায়গাতেই এখন চলছে ম্যারাথন তল্লাশি।

কোথা থেকে এলো সূত্র?

তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, গত রবিবার গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ী জয় কামদারের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই উঠে এসেছে এই দুই ব্যবসায়ীর নাম। জয়ের বেহালার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গতবার প্রচুর নগদ টাকাও উদ্ধার হয়েছিল। ইডি-র দাবি, ধৃত জয়ের সাথে এই দুই ব্যবসায়ীর বড়সড় কোনো আর্থিক লেনদেন রয়েছে, যা এই সোনা পাপ্পু মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

পুরানো যোগসূত্র

এই মামলাটি ক্রমশ যতদিন যাচ্ছে আরো গভীরে যাচ্ছে। গত ১৯শে এপ্রিল শুধুমাত্র জয় কামদার নন, কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতেও হানা দিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁকে এবং তাঁর দুই ছেলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এই প্রভাবশালী মহলের সাথে ব্যবসায়ীদের যোগসাজশেই হয়েছে কোটি কোটি টাকার কারচুপি।

কী খুঁজছে ইডি?

বর্তমানে ব্যবসায়ীদের বাড়িতে থাকা ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন ব্যাঙ্কের নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জয় কামদারের মোবাইল থেকে পাওয়া মেসেজগুলোর সাথে এই ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যের মিল আছে কি না, সেটাই এখন ইডি-র প্রধান লক্ষ্য।

একনজরে আজকের অভিযান:

কোথায় কোথায় তল্লাশি: আনন্দপুর ও আলিপুর।

কারা নজরে: ব্যবসায়ী কল্যাণ শুক্লা ও সঞ্জয় কানোরিয়া।

মূল মামলা: সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত আর্থিক তছরুপ।
উৎস: গ্রেপ্তার হওয়া জয় কামদারের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট।

ছুটির সকালে ইডি-র এই ঝটিকা অভিযানে সরগরম গোটা শহর। এখন দেখার, তল্লাশি শেষে আজ নতুন করে কোনো বড় নাম বা নগদ অর্থ সামনে আসে কি না!

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন