আবারও খুন ভোটের মুখে
কলকাতা ২১ এপ্রিল :- ভোটের মুখেই প্রচারে নেমে এবার উওর বঙ্গে এবার পরিস্থিতি উত্তেজনাময়। প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে খুন হলেন সিপিএম কর্মী নুর আজম।ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাতে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনাময় পরিস্থিতি। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।মৃতদেহ৷ ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।
আগামী বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। ইসলামপুর কেন্দ্রেও ওই দিনই ভোট। রাজনৈতিক দলগুলি শেষদফার প্রচারে ঝড় তুলেছে। বছর ২৬ বয়সের নুর আজম এলাকায় সিপিএম কর্মী হিসেবেই পরিচিত। সোমবার রাতে তিনি প্রচার সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সেসময় তাঁকে রাস্তায় পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মৃতদেহ দেখার পর সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের লোকজন তাঁকে প্রচারে না যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। শাসক দলই এই খুন করেছে বলে স্থানীয় সিপিএম নেতাদের অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, মৃত সিপিএম কর্মীর নাম নুর আজম ( ২২)। পরিবারের অভিযোগ, শনিবার দুপুরে কেউ বা কারা তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর সন্ধ্যায় তিনি নিজেই কার্যত অচৈতন্য অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসেন। ফিরে এসে বাড়িতে ভাঙচুর শুরু করেন। উন্মাদের মতো আচরণ করেন। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে। তখন তিনি ছটপট করছিলেন বলে দাবি পরিবারের। তবে, চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পরিবার ও সিপিএম প্রার্থী সামি খান হাসপাতালে ছুটে যান।
সিপিএম নেতা স্বপন গুহ নিয়োগী বলেন,"দলীয় প্রার্থী সামু খানের নির্বাচনী প্রচার সেরে বাড়ি ফিরছিল নুর আজম। গত চারদিন ধরে তাঁকে প্রচারে না যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল। কথা না শোনায় খুন করা হল।" যদিও তৃণমূল সেই অভিযোগ মানতে রাজি নয়। ঘটনার কথা জানতে পেরে পুলিশ-সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। ইসলামপুর পুলিশ সুপার রাকেশ সিং বলেন," ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট জানা যাবে।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন