বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের আর মাত্র একদিন বাকি। তার আগেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। সেই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী সম্ভাব্য হিংসা রুখতে জোরদার প্রস্তুতি নিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই জেলায় পৌঁছেছে ১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, যা বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় মোতায়েন করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন দফায় দফায় নতুন নির্দেশিকা জারি করছে, এবং সেই নির্দেশ মেনেই জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রথম দফায় জেলার ১৫টি বিধানসভায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এবার ফল ঘোষণাকে ঘিরেই প্রশাসনের মূল নজর।
এই ১৫টি বিধানসভার ভোটগণনার জন্য তিনটি প্রধান কাউন্টিং সেন্টার নির্ধারণ করা হয়েছে। চন্দ্রকোনা, দাসপুর ও ঘাটাল বিধানসভার গণনা হবে ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়-এ। খড়গপুর সদর, খড়গপুর গ্রামীণ, কেশিয়াড়ি, সবং ও পিংলা বিধানসভার গণনা কেন্দ্র করা হয়েছে খড়গপুর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়-এ। অন্যদিকে গড়বেতা, শালবনি, মেদিনীপুর, কেশপুর, দাঁতন, ডেবরা ও নারায়ণগড় বিধানসভার ভোটগণনা হবে মেদিনীপুর কলেজ এবং মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুল-এ।
আগামী ৪ মে সকাল ৮টা থেকে এই সব কেন্দ্রে গণনা শুরু হবে। তার আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে স্ট্রংরুম পরিদর্শনে যান জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ এবং পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা।
পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ সুপার জানান,"গণনা নির্বিঘ্নে করার জন্য যেমন আলাদা করে ফোর্স নেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমনই ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে প্রায় 18 কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে আমাদের জেলায় । এই ফোর্সকে থানায় থানায় আমরা ব্যবস্থা করেছি রাখার ৷ সেই সঙ্গে কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) করে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরানো হচ্ছে । বিশেষ করে যেসব জায়গায় গন্ডগোল হয়েছিল সেসব জায়গাগুলোকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি । পাশাপাশি যে সকল লোকেদের নাম গন্ডগোলের জন্য আমাদের তালিকায় এসেছে, তাদের উপর আমরা বিশেষ নজর রাখছি ।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন