দেশে দেখা দিয়েছে এলপিজির সমস্যা। বন্ধ হচ্ছে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ। সমস্যার মুখে আম জনতাও। ঠিক একই সমস্যার মুখে ভারতের ফার্মা শিল্প। জানা গিয়েছে এলপিজির অভাবে বাঁধা পড়তে পারে সিরিঞ্জ, গ্লাভস, প্যারাসিটামল এবং এ সকল ছাড়াও নানান দৈনিক প্রয়োজনিয় ঔষধ তৈরিতে ।
ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার কারণে গ্যাস বা তেল আমদানীতে বাঁধা পড়েছে। এবং সেই কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে দেশের না না প্রান্তে। জানা গিয়েছে যে এই সকল ফার্মা শিল্প কারখানা গুলি চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছে বাণিজ্যিক মন্ত্রালয়, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রালয় এবং কেমিকাল্স ও ফার্টিলাইজার মন্ত্রালয়ের কাছে যাতে তাদের কাজ বন্ধ না হয়। তারা জানিয়েছে যে কোভিড কালীন অবস্থায় যেমন কাজ চলেছে তেমন করেই কাজে যেন কোন বাঁধা না আসে। একজন শিল্প বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন যে এলপিজি ব্যবহার হয় বয়লার, স্টেরিলাইজেশন বা গ্রানিউলেশনের মতননা না পদ্ধতিতে। তাই এলপিজি সর্বরাহতে যেন কোন কমতি না থাকে। মঙ্গলবার প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার নিয়ে একটি বৈঠক হয় বাণিজ্যিক মন্ত্রালয়।
ফার্মা শিল্প সংস্থাগুলির মতে তাদের কাছে ৩০ দিনের বেশি এলপিজি সংস্থান নেই। এবং সে কারণেই আবেদন পত্র যাচ্ছে মন্ত্রালয় গুলিতে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন