দিনহাটা থেকে নির্বাচনে দাড়ানো প্রার্থী উদয়ন গুহকে সমর্থন করে জনসভায় দাঁড়িয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর বিষয় নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন পরিকল্পিতভাবে অশান্তি সৃষ্টি করে পরে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তৃণমূল কর্মীদের ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর কথায়, “বিজেপি সরকার নির্বাচনের সময় প্রথমে বোমা পুঁতে পরে এনআইএ তদন্তের নামে ফাঁদ পাতছে যাতে নির্বাচনের আগেই তৃণমূলের কর্মীদের গ্রেফতার করা যায়। এছাড়াও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রী চড়াও হয়েছেন, তিনি বলেছেন পরিকল্পিতভাবে বহু মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, যাতে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দল সুবিধা করে নিতে পারে। তার মতে “ভোটারদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার এই চেষ্টা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।”বহিরাগত ইস্যুতেও বিজেপিকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন অসম থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে কিছু লোক বাংলায় ঢুকছে এবং ভোটে ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তিনি বলেছেন, বাংলার সরকার কোনো ভাবেই বাইরে থেকে লোক এনে ভোটের উপর প্রভাব ফেলতে দেবে না । দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সভায় দাঁড়িয়ে বিজেপি সরকারকে এইরকম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আক্রমণ করে তিনি তাঁর দলীয় কর্মীদের সংযত থাকতে বলেছেন এবং স্পষ্ট করে বলেছেন “ঠান্ডা মাথায় কাজ করুন, কোনরকম উস্কানিতে পা দেবেন না। নির্বাচন শেষে সমস্ত হিসাব মিটে যাবে।
দিনহাটা থেকে নির্বাচনে দাড়ানো প্রার্থী উদয়ন গুহকে সমর্থন করে জনসভায় দাঁড়িয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর বিষয় নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন পরিকল্পিতভাবে অশান্তি সৃষ্টি করে পরে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তৃণমূল কর্মীদের ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর কথায়, “বিজেপি সরকার নির্বাচনের সময় প্রথমে বোমা পুঁতে পরে এনআইএ তদন্তের নামে ফাঁদ পাতছে যাতে নির্বাচনের আগেই তৃণমূলের কর্মীদের গ্রেফতার করা যায়। এছাড়াও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রী চড়াও হয়েছেন, তিনি বলেছেন পরিকল্পিতভাবে বহু মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, যাতে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দল সুবিধা করে নিতে পারে। তার মতে “ভোটারদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার এই চেষ্টা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।”বহিরাগত ইস্যুতেও বিজেপিকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন অসম থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে কিছু লোক বাংলায় ঢুকছে এবং ভোটে ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তিনি বলেছেন, বাংলার সরকার কোনো ভাবেই বাইরে থেকে লোক এনে ভোটের উপর প্রভাব ফেলতে দেবে না । দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সভায় দাঁড়িয়ে বিজেপি সরকারকে এইরকম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আক্রমণ করে তিনি তাঁর দলীয় কর্মীদের সংযত থাকতে বলেছেন এবং স্পষ্ট করে বলেছেন “ঠান্ডা মাথায় কাজ করুন, কোনরকম উস্কানিতে পা দেবেন না। নির্বাচন শেষে সমস্ত হিসাব মিটে যাবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন