১৬ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার কলকাতার দমদমে অবস্থিত সুরটেক ক্যাম্পাসে জেআইএস গ্রুপ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করল 'জেআইএস ড্রোন একাডেমি'। এটি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম এবং বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক, DGCA অনুমোদিত ‘রিমোট পাইলট ট্রেনিং অর্গানাইজেশন’এবং আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল।
বিমান চলাচল এবং প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের জন্য এটি নির্মাণ করা হয়েছে। একাডেমির কৌশলগত অবস্থানের ফলে শিক্ষার্থীরা জেআইএস গ্রুপের উন্নত পরিকাঠামো এবং ড্রোনের উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় উন্মুক্ত স্থান ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। এখানে মাইক্রো' এবং 'স্মল' ক্যাটাগরির ড্রোনের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ড্রোন দ্বারা সার্ভে, ম্যাপিং এবং জিআইএস ডেটা প্রসেসিং কোর্সে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়াও ড্রোন ফরেনসিক, ডিজাইন, ভেঙে গেলে ড্রোন মেরামত এবং তার রক্ষণাবেক্ষণের শিক্ষ দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন ড্রোন তৈরির উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করা হবে।দমদমের ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠানের দিন হাতে কলমে ড্রোন ওড়ানোর নানা কৌশল দেখানো হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর সর্দার সিমরপ্রীত সিং যিনি এই একাডেমির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। AAI এর জেনারেল ম্যানেজার মহুয়া বি অধিকারী, সুমন চন্দ্র হালদার এবং গৌতম রায়।C-DAC এর টিম লিড সঙ্গম কুমার চতুর্বেদী, NSDC এর রিজিয়নাল হেড বিক্রম কুমার দাস ,ডিরেক্টর অফ টেকনিক্যাল এডুকেশন এর অনিন্দিতা গাঙ্গুলি।
বিভিন্ন রাজ্যে চাষাবাদে ড্রোনের প্রচলন শুরু হয়েছে। চাষের ক্ষেত্রে শস্যকে পোকা-মাঁকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে বিভিন্ন জমিতে ওষুধ পত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার। এছাড়া ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে অনায়াসে ড্রোনের ব্যবহারের জন্য বিমান চলাচলের নিয়ম এবং উন্নত বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিস্তারিত ক্লাস নেওয়া হবে একাডেমিতে।
অনুষ্ঠানে জেআইএস গ্রুপ ডিরেক্টর সর্দার সিমরপ্রীত সিং বলেন, এই একাডেমির লক্ষ্য হলো আগামী প্রজন্মকে চালকহীন বিমান চলাচলে দক্ষ করে তোলা।বাজারে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ড্রোন চালকের অভাব রয়েছে, অ্যাকাডেমিতে যাঁরা ভর্তি হবে তাঁরা ডিজিসিএ’র সার্টিফিকেট পাওয়ার সাথে দক্ষ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত ড্রোন পেশাদার হিসাবে গড়ে উঠবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন