Top News

ভোটের আগে পুনরায় ইডি হানা কলকাতা ডিসি শান্তনু সিংহের এর বাড়িতে

 


কালিঘাট থানার প্রাক্তন  ওসি শান্তনু এর বাড়িতে ইডি 


কলকাতা ১৯ এপ্রিল :- কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহের বাড়িতে ইডি হানা। সূত্র মারফত জানা যায় সকাল সকাল তার বালিগঞ্জ এর ফার্ন রোডের বাড়িতে ইডি এসে উপস্থিত হয়। মূলত সোনা পাপ্পুর মামলায় ইডির এই জরুরি তলব। তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। ঘটনাচক্রে জানা যায় শান্তনু একসময় কালিঘাট থানার ওসি ছিলেন।মেডিক্যাল NRI কোটায় ভর্তির দুর্নীতিতেও শান্তনুকে তলব করেছিল ইডি। এবার সোজা তাঁর বাড়িতেই হানা কেন্দ্রীয় এজেন্সির।

সোনা পাপ্পুর মামলার কোনো কিনারা করতে পারেনি এখনও পর্যন্ত পুলিশ। কিছুদিন আগে সমাজমাধ্যমে তাকে লাইভ করতে দেখা যায়। জানা যায় ডিসির বাড়িতে তল্লাশির আগে এক আইপিএস আধিকারিক কে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।

সোনা পাপ্পুর মামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার। তার বাড়িতেও আগে ২ বার ইডি হানা দেয়। তবে কোনোবারেই তাকে হাজিরা দিতে দেখা যায়নি।

সূত্রের খবর, ভোরেই সিজিও কমপ্লেক্স থেকে রওনা দিয়েছিল ইডি-র একাধিক দল। সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা রয়েছেন। বেহালায় গিয়ে ব্যবসায়ীর বাড়ির সামনে বেশ কিছু ক্ষণ তাঁদের অপেক্ষা করতে হয়। অভিযোগ, বার বার ডাকাডাকি সত্ত্বেও বাড়ির দরজা খুলছিলেন না কেউ। অনেক ক্ষণ পরে দরজা খোলা হয় এবং ইডি ভিতরে প্রবেশ করে। বালিগঞ্জেও ভোরেই পৌঁছে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকেরা।

বঙ্গে দুই দফায় ভোট। প্রথম দফা হবে ২৩ শে এপ্রিল। আর অন্যদিকে দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ শে এপ্রিল। এরই মধ্যে রাজ্যজুড়ে যেভাবে একের পর এক ইডি তল্লাশী চলছে তার বিরুদ্ধে শাসক শিবির তীব্র নিন্দা করছে।

একদিকে জোরকদমে ভোটের প্রচার। আর অন্যদিকে একে অপরের দিকে কাদা ছোড়াছুড়ি। ৪ ই এপ্রিল ভোটের ফলাফল ঘোষণ। কে বসবে এবার বাংলার মসনদে? প্রশ্ন উঠছে একাধিক।

কিছু দিন আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও তারা হানা দিয়েছিল। এ ছাড়া, রাসবিহারীর বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে হানা দিয়েছিল আয়কর দফতর। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির এই অতি তৎপরতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। 

দেশের শাসক দল বঙ্গের মাটিতে এবার জাঁকিয়ে বসার জন্য ভালো মতোন প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু আবারও প্রশ্ন থেকে যায় বিরোধীকে দমনের প্রয়াসই কি গণতন্ত্রের হত্যা?

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন