ছবি:- গুগল
এটাই শেষ নয় শিশুমৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ ঘিরে মণিপুরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন প্রতিবাদ মিছিলে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ৩ জনের মৃত্যু, ৩০ জন আহত হন। এরপর ১৪ এপ্রিল আবার ও নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১৮ জন আহত হন এবং এরপরে ইম্ফল আশপাশে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে , এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। এরই মধ্যে উখরুলে বন্দুক হামলায় ২ নাগা ব্যক্তির মৃত্যুতে উত্তেজনা আবার ও চরমে পৌঁছে যায়।
মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিং যখন উখরুলে শান্তি বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন তখন এই ঘটনাটি ঘটে যার কারনে জনগণের মনে হয় সরকার কখনো মনিপুরের এই পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করবে না। যথারীতি এইসবে ঘটনার প্রতিবাদের জন্য ১৯ এপ্রিল থেকে টানা সাতদিনের বনধের ডাক দিয়েছে যেতেই মহিলাদের সামাজিক সংগঠন “মৈরা পাইবি”।
গত তিন বছরের মনিপুর অনেক রকম হাঁড়হিম করে দেওয়া ঘটনা ঘটেছে, জনগণের দাবি একবার এই বিজেপি শাসিত এই রাজ্যকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী একটিবার ও ভাবেনি।
এবং এই বিপর্যয় পরিস্থিতিতে আগুন ঘি ঢালার মতো মন্তব্য করেন কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনাত, গত ১৯ এপ্রিল তিনি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী কে আক্রমণ করে বলেন যে “প্রধানমন্ত্রী দেশ বিভাজনের আগে আপনি মনিপুর কে রক্ষা করুন”
এছাড়া কোকোমির সদস্য বিজেপি কে বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং জানিয়েছেন কোনো রকম রাজনৈতিক কাজে সাধারন জনগন অংশগ্রহণ করবেন না । নাহাকপাম বলেন বিজেপি বা তাদের মুখ্যমন্ত্রী কেউ তাদের এই পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেনি এবং কোনোরকম কার্যকর পদক্ষেপ নেননি । তাই তারা পুরোপুরি ভাবে রাজ সরকারকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন