Top News

বাংলা থেকে ঢাকা! দীনেশকে বড় দায়িত্ব মোদীর

বাংলার ভোটের মাঝেই বড় চমক! বাংলাদেশে ভারতের নতুন মুখ হিসেবে সামনে আসছে এক পরিচিত বাঙালি নাম—দীনেশ ত্রিবেদী। সব ঠিক থাকলে, ভোট মিটতেই খুব শিগগিরই ঢাকায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে দেখা যেতে পারে তাঁকে। এমনটাই জানালো দিল্লি।

সূত্র: উইকিপিডিয়া 

কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, দীর্ঘ চিন্তাভাবনার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ভোট মিটলেই শুরু হতে পারে সরকারি প্রক্রিয়া। বর্তমানে ঢাকায় ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় বর্মা-কে বেলজিয়ামে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে, আর তাঁর জায়গায় দায়িত্ব নিতে পারেন দীনেশ।

কেন হঠাৎ দীনেশ?

উত্তরটা বেশ স্পষ্ট—ভাষা, সংস্কৃতি আর অভিজ্ঞতা। ঝরঝরে বাংলা বলেন দীনেশ। শুধু তাই নয়, দুই বাংলার সংস্কৃতি, মানুষ আর আবেগ—সবকিছু নিয়েই তাঁর পরিষ্কার ধারণা আছে। এমন একজন মুখ, যিনি শুধু কূটনীতি নয়, সম্পর্কও গড়তে পারেন। বর্তমান পরিস্থিতিও এই সিদ্ধান্তকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কিছুটা ঠান্ডা হয়ে যায়। পরে নির্বাচনের পর তারিক রহমান এর নেতৃত্বে নতুন সরকার আসার পর দুই দেশের সম্পর্ক ফের স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

এই সময়েই দীনেশের মতো একজন “সংস্কৃতিমান বঙ্গভাষী” মুখকে সামনে আনা—এটা কি শুধু কূটনৈতিক পদক্ষেপ? নাকি এর মধ্যে লুকিয়ে আছে বড় রাজনৈতিক বার্তা? রাজনৈতিক মহলের মতে, এটা শুধু বাংলাদেশ নয়, বাংলার জন্যও ইঙ্গিত।

এক সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ দীনেশ, পরে যোগ দেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। এখন যদি তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ পদ পান, তাহলে তা “পুরস্কার রাজনীতি”-র ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

দীনেশের রাজনৈতিক সফরটাও কম নাটকীয় নয়। কংগ্রেস থেকে জনতা দল, তারপর তৃণমূল—শেষে বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকেও কাজ করেছেন, এমনকি রেলমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন।

শুধু রাজনীতি নয়, তিনি একজন দক্ষ সেতারবাদকও। তাই অনেকের মতে, তাঁর হাতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন “সুর” পেতে পারে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।

সব ঠিক থাকলে, খুব তাড়াতাড়িই এক বাংলা থেকে আরেক বাংলায় কূটনৈতিক সফর শুরু করবেন দীনেশ। কিন্তু সব ঠিক থাকলেও প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে—এটা কি শুধু একজন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ, নাকি বড় রাজনৈতিক বার্তার শুরু?

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন