Top News

চুক্তি স্বাক্ষরের দাবিতে ট্রাম্প, মানতে নারাজ ইরান

 


মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে গত কয়েক দশক ধরে চলা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যেকার দ্বন্দ তীব্র আকার ধারণ করেছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার মাধ্যমে এই দ্বন্দের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ মধ্যকার তীব্র উত্তেজনার মুহূর্তে এক সংকটপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির সাথে জড়িত আছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রতিনিধি জেডি ভ্যান্স ও জারেড কুশনার, IRGC এবং মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নতুন কোনো চুক্তিতে সই না করে তবে ইরানের পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং সেতুগুলোকে বোমা মেরে ইরানের‘সভ্যতা ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে। ট্রাম্পের হুমকির মুখে ইরান নতি স্বীকার করার বদলে ‘দাপুটে মেজাজ’ দেখিয়ে বলেছে তাঁরা রণক্ষেত্রে বিরোধী পক্ষের মোকাবিলা করবার জন্য ‘নতুন কার্ড’ বা নতুন রণকৌশল ও অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন করতে প্রস্তুত।

ইরানের মতে তারা যদি Fattah-2 , দীর্ঘমেয়াদী ড্রোন, যুদ্ধপারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ঘোষণা দেয়, তবে তা হবে বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় ‘ওয়াইল্ড কার্ড’। কিন্তু ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না। ট্রাম্প আগের সব চুক্তি বাতিল করে তার নিজের শর্তে একটি ‘ফেয়ার ডিল’ করতে চান, যা ইরান মানতে নারাজ। যার কারণে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ সৃষ্টি করেছে এবং সম্প্রতি একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ আটকে সেটি জব্দ করেছে ,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধীতায় ইরান বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী যেখান দিয়ে বিশ্বের তেলের বাণিজ্যের একটি বড় অংশ যায় সেটা ইরান তাদের নৌ-শক্তি প্রদর্শনের দ্বারা বন্ধ করে রেখেছে, লোহিত সাগরেইরানের বিদ্রোহীরা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে বাধা দিচ্ছে।

২১ এপ্রিল ২০২৬-এর তথ্যানুসারে, দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বুধবার ২২ এপ্রিল ২০২৬ শেষ হতে যাচ্ছে। তবে যদি এর মধ্যে কোনো চুক্তি না হয় তবে পুনরায় পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

ট্রাম্পের মেজাজ এখন 'নো মোর মিস্টার নাইস গাই 'তিনি স্পষ্ট বলেছেন যে, ইরান যদি তাদের ‘কিলিং মেশিন বন্ধ না করে নিঃশর্ত চুক্তি না করে, তবে আবারও সামরিক হামলা অনিবার্য ,ইরান তার এই হুমকিকে পাত্তা না দিয়ে যুদ্ধের ময়দানে নতুন চমক দেখানোর দাবি করছে।



 

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন