নেদারল্যান্ডস সফর শেষ করে নরওয়ের অসলোতে পৌঁছানোর পরই আন্তর্জাতিক মহলে এই বিতর্ক শুরু হয়েছে ভারতকে নিয়ে। ইউরোপীয় দেশগুলোতে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্ন নেওয়ার নিয়ম আছে। এই বৈঠকেই এক বিদেশি সাংবাদিক সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কোনো জবাব না দিয়ে মঞ্চ ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে এই বিষয়টিকে নিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এবং নরওয়ের সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ সৃষ্টি হয়।
নরওয়ে সফরকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোর যৌথ বিবৃতি দেওয়ার পর কোনো সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে মঞ্চ ছেড়ে চলে যান। এই ঘটনার ভিডিও সাংবাদিক হেলে লিং এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমার প্রশ্নের উত্তর দেননি। আমি অবশ্য আশাও করিনি। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে নরওয়ে এক নম্বরে, আর ভারতের স্থান ১৫৭।
এরপর, ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সচিব সিবি জর্জ একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে নরওয়েজিয়ান এবং ডাচ সাংবাদিকরা ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘন, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ নিয়ে তীব্র প্রশ্ন শুরু করেন সেখানে সিবি জর্জ বেশ আক্রমণাত্মক জবাব দেন, তিনি বলেন ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কতটা, তা প্রশ্নকর্তাদের ধারণার বাইরে। শুধু ভারতের রাজধানী দিল্লিতেই অন্তত ২০০টি ২৪ ঘণ্টার নিউজ চ্যানেল রয়েছে, যারা প্রতিদিন সরকারের সমালোচনা করছে। সমালোচকরা আসলে কিছু কুখ্যাত ও অপ্রাসঙ্গিক এনজিও-র তৈরি করা এজেন্ডা ভিত্তিক রিপোর্ট পড়ে ভারতের সম্পর্কে এই ধরনের ধারণা তৈরি করে যার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন