এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড়ো খবর। ইস্তফা দিলেন দেশের শিক্ষামন্ত্রী শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। লাগাতার এক মাহের বেশি লড়াইয়ের পর জয় হল ছাত্র সমাজের। সারা দেশ সাক্ষী রইল এক নিরন্তর লড়াইয়ের এবং প্রতিবাদের।
প্রতিবাদ শুরু হয় নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবী নিয়ে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় সিবিএসসির ফলাফল ঘটিত না না অরাজকতা। একটার পর একটা বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে ন্যাসানল টেস্টিং এজেন্সি সহ সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রাণহানী হয় বহু ছাত্রছাত্রীর। এই অরাজতাকেই নির্মূল করতে মাঠে নামে ককরোচ জনতা পার্টি এবং বৈজ্ঞানিক সোনাম ওয়াঙচুক। তারা জানিয়ে দেয় শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা না দিলে তারা আন্দোলন বন্ধ করবে না। সোনাম ওয়াঙচুক শুরু করেন লাগাতার অনসন। প্রায় ছ দিনে তাঁর ওজন কমে যায় প্রায় আট কেজিরও বেশি। গত শনিবার ১৮ই জুলাই সোনাম ওয়াঙচুককে, দিল্লি পুলিশ জোর করে অনসন মঞ্চ থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায় জন্তর মন্তরের অনসন মঞ্চ থেকে। শুরু হয় বিক্ষোভ। গত সোমবার সিজেপির ডাকে সারা দেয় যুব সমাজ। জন্তর মন্তর থেকে সংসদ শান্তিপূর্ণ মিছিল। তবে পুলিশি হামলায় আহত হয় অনেকেই। সারা ভারত জুড়ে শুরু হয় প্রতিবাদ।
এরই মাঝে হাসপাতালে থাকা সত্ত্বেও নেতাদের অনুরোধে অনসন ভাঙেন ওয়াঙচুক। তবে প্রতিবাদের ঢল বাড়তে থাকে। পুলিশের অরাজতার দিকে আঙুল তুলে বার বার প্রশ্ন করে যুব সমাজ।
আজ দুপুর তিনটেতে নিজের 'এক্স' হ্যান্ডেল থেকে নিজের ইস্তফার বয়ান পেশ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
ইস্তফা দিলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
Roopkatha De
0

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন